সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তৈরিতে ও সাইবার সচেতনতায় কাজ করছে ডিকোডস ল্যাব

টেকআলো ডেস্ক:
সারা বিশ্বে সাইবার আক্রমণের ঘটনা আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে যাওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে জাতীয় নিরাপত্তা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ। এর থেকে পরিত্রান পাচ্ছে না ছোট বড় প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বীমা এমনকি সরকারি ওয়েবসাইট। তাই রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাইবার নিরাপত্তায় আরও বেশি শক্তিশালী করে তোলার লক্ষ্যে, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তৈরিতে ও সাইবার সচেতনতায় কাজ করছে DeCodes LAB। শুধু বাংলাদেশ নয় বরং সারাবিশ্বে, চাহিদা বেড়ে চলেছে ইনফরমেশন সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের। অনলাইন মার্কেট প্লেসেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। অনেকেই সাইবার নিরাপত্তার উপর ফ্রিল্যান্সিং করে হয়ে উঠছে স্বাবলম্বী। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ লোক তৈরি করার জন্য কাজ করছে DeCodes LAB। তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ লোক তৈরি করতে এবং সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে একযোগে কাজ করে চলছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৫০০ আইটি সিকিউরিটি প্রফেশনাল তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সার্টিফাইট ইথিক্যাল হ্যাকার এবং প্রশিক্ষক আরিফ মঈনুদ্দীন। তিনি অনেকদিন ধরে দক্ষ সিকিউরিটি প্রফেশনাল তৈরি সহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাদের ও সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে ট্রেনিং দিয়ে আসছেন। এর মধ্যে র‌্যাব, সিআইডি ও পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চপদস্থ অনেক কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সাইবার ক্রাইম থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সকল আইটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাইবার সিকিউরিটির উপর প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা উচিত বলে তিনি বলেন। এছাড়া বাংলাদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাইবার সিকিউরিটির উপর সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজন করে যাচ্ছে DeCodes LAB। সাইবার সিকিউরিটির উপর বিভিন্ন কোর্স চলমান আছে প্রতিষ্ঠানটিতে।
অনলাইনে যে কেউ সাইবার ক্রাইমের শিকার হলে তাৎক্ষণিকভাবে DeCodes LAB এর ফেইসবুকে জানালে তারা সঙ্গে সঙ্গেই পরামর্শ দেয়া হয় । অনলাইনে https://www.facebook.com/decodeslab/ যুক্ত হতে পারবেন DeCodes LAB ফেইসবুক পেইজে। ডিকোডস ল্যাব এর অফিস : ১৫৭/১ গ্রীন রোড, গুডলাক টাওয়ার ৩য় তলা, পান্থপথ সিগনাল ঢাকা-১২০৫। www.decodeslab.com