নোকিয়ার ক্লাউড কোর প্ল্যাটফর্মে চলছে গ্রামীণফোনের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন

নোকিয়া এবং গ্রামীণফোন যৌথ উদ্যোগে গ্রামীণফোনের ৭২ মিলিয়ন গ্রাহককে নোকিয়া ইউজার ডাটা কনভার্জেন্স (ইউডিসি) ক্লাউড কোর প্ল্যাটফর্মের আওতায় এনেছে। কোনো ক্লাউড কোর প্ল্যাটফর্মে গ্রাহক তথ্য মাইগ্রেশন করার ক্ষেত্রে নোকিয়ার সবচেয়ে বড় এই প্রজেক্টটি গ্রামীণফোনের একটি ডিজিটাল সার্ভিস প্রোভাইডারে (ডিএসপি) পরিণত হওয়ার পথে মুখ্য ভ‚মিকা রেখেছে।
গ্রামীণফোনের মূল সংস্থা টেলিনরের সঙ্গে করা এক চুক্তি অনুযায়ী নোকিয়া বাংলাদেশের দুটি শহরে এ সেবাটি বাস্তবায়ন করেছে। এ চুক্তি অনুযায়ী, নোকিয়া টেলিনরের অধীনের সব এশীয় কোম্পানিগুলোকে নিজ নিজ কার্যক্রম পরিচালনাকারী দেশেই কোর প্ল্যাটফর্মের আওতাভুক্ত করবে, যার ফলে অর্থব্যয় কমবে এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও, আধুনিক সব প্রযুক্তি এবং সেবাগুলো আরও সহজভাবে প্রচলিত হবে এবং এতে করে গ্রামীণফোন সহজে নতুন গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবে।
হোম লোকেশন রেজিস্ট্রার (এইচএলআর) থেকে নোকিয়া ক্লাউড ইউডিসি প্ল্যাটফর্মে ডাটা স্থানান্তরের জন্য নোকিয়া একটি ডেল্টা মাইগ্রেশন টুল তৈরি করেছে। এছাড়াও নোকিয়া একটি ‘মিনি প্রোভিশনিং সিস্টেম’ তৈরি করেছে যাতে করে উল্লেখিত প্রোজেক্টটি সফলভাবে সম্পন্ন করা যায়।
গ্রামীণফোনের সিটিও রাদে কোভাচেভিক বলেন, আমাদের গ্রাহকদের তথ্য সফলভাবে নোকিয়া ক্লাউড ইউডিসি প্ল্যাটফর্মের আওতাভুক্ত করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। নোকিয়া এ প্রোজেক্টটি খুবই কঠিন একটি সময় ব্যবধানে সম্পন্ন করেছে। ৩১ মিলিয়ন গ্রাহকের তথ্য এক রাতের মধ্যেই নোকিয়া ক্লাউড ইউডিসি প্ল্যাটফর্মের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য আমরা কোম্পানিটির অভিজ্ঞতা এবং ক্লাউড টেকনোলজি ব্যবহার করে একটি ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবো, যাতে করে পরবর্তী পরিকল্পনাগুলো দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা যায়।
বাংলাদেশে নোকিয়ার কাস্টমার বিজনেস টিমের প্রধান রাশেদ হক বলেন, আমাদের বিস্তৃত প্রযুক্তিগত দক্ষতা ব্যবহার করে এবং গ্রামীণফোনের সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে আমরা কোম্পানিটির সংস্করণে একাত্মতা প্রকাশ করেছি। গ্রামীণফোনকে ক্লাউড টেকনোলজির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ফলে তারা তাদের অর্থব্যয় কমিয়ে আনতে পারবে এবং সেসঙ্গে বর্ধিত গ্রাহকসেবাও নিশ্চিত করতে পারবে। আমরা এ ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসীÑ গ্রামীণফোন নিজেদের একটি ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে এবং গ্রাহকদের নিত্যনতুন চাহিদাগুলোকেও দক্ষতার সঙ্গে পরিপূর্ণ করতে পারবে।