কর্মজীবনে পরিবর্তিত প্রযুক্তির সাথে খাপ খাওয়াতে না পারলে টিকে থাকা যাবে না -মোস্তাফা জব্বার

টেকআলো প্রতিবেদক:
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। কর্মজীবনে এ পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়াতে না পারলে টিকে থাকা যাবে না। সামনের দিনগুলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করার যুগ নয়, সামনের যুগ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যুগ। খুব সহসাই বাংলাদেশ বাংলাদেশে ৫জি প্রযুক্তি চালু হচ্ছে। প্রযুক্তির অভাবনীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গতানুগতিক প্রশিক্ষণ বা শিক্ষা গ্রহণ করে আগামী দিন চলবে না বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী ২৭ সেপ্টেম্বর রাজশাহীতে পোস্টাল একাডেমি, রাজশাহী আয়োজিত ৬৮তম বুনিযাদী প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিপিএটিসি সাভার এর এমডিএস মোহাম্মদ মনির হোসেন , পোস্টাল একাডোমি রাজশাহী এর অধ্যক্ষ মো: সিরাজ উদ্দিন এবং রাজশাহীর ডেপুটি কমিশনার হামিদুল হক বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে তামান্না ফেরদৌস এবং একে এম হাসান হাবিব বক্তৃতা করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতির ফলে আগামী দিনের শিক্ষা ব্যবস্থা কিংবা জ্ঞান অর্জন অথবা প্রশিক্ষণ ক্লাস রুমে সীমিত থাকবে না। রূপান্তরিত পৃথিবীতে প্রযুক্তির প্রয়োগ জনগণের কাছে পৌঁছানোই হবে প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তিতে পরিবর্তন অনিবার্য, কর্মজীবনে এ পরিবর্তনের সাথে নিজেদের খাপ খাওয়াতে না পারলে টিকে থাকা যাবে না।’
প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নবীনদেরকে সামনের কর্মজীবনের জন্য নিজেদের তৈরি করতে এবং প্রযুক্তি প্রয়োগে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সামনের যুগটা মেধার ও জ্ঞানের। নিজেদের জীবনের চ্যালেঞ্জ নিজেদেরকেই নিতে হবে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, প্রযুক্তিতে ৩২৪ বছরের পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আজ ডিজিটাল দুনিয়ায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, ‘আইওটি ডিভাইস ব্যবহার করে আমাদের ছেলে-মেয়েরা মাছ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। এই পদ্ধতিতে খাদ্যের চাহিদা নিরূপণ করার মাধ্যমে এতে খাদ্যের বিশাল অপচয় কমছে।’ মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ যেখানে ফাইভজি চালু করার চিন্তাই করেনি, সেখানে বাংলাদেশ ফাইভজির সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। ফাইভজি চালুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এক দিনও পিছিয়ে যাবে না। ২০২১ সাল থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ফাইভজি চালু করা সম্ভব হবে।’
মন্ত্রী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশ্রগ্রহণকারী নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আগামী দিনের উপযোগী ডিজিটাল প্রযুক্তি জ্ঞান অর্জন করতে না পারেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতি সামলানো সবার জন্যই কঠিন হবে।’